“ভারতীয় ঐক্য সাধনে – বিশ্লেষণের আলোকে রবীন্দ্রনাথ”

Author(s): Sampa Roy

Abstract:

ভারতবর্ষ তথা গোটা বিশ্বজুড়ে যার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে তিনি আর কেউ নন, আমাদের সকলের পূজনীয় ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি তাঁর কলমের দ্বারা সারা বিশ্বকে জয় করে বিশ্বকবি হিসেবে জয়লাভ করেন। বাংলা সাহিত্য জগতে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, দার্শনিক, নাট্যকার, গল্পকার, চিত্রকার ও সঙ্গীতজ্ঞ। তিনি ১৮৬১ সালে ৭ই মে (২৫শে বৈশাখ ১২৬৮) কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা সারদা দেবী। তিনি প্রথাগতভাবে বিদ্যালয়ে শিক্ষা অর্জন করেননি। তিনি গৃহশিক্ষকের কাছেই তাঁর জ্ঞান অর্জন করেন এবং পরবর্তীকালে ইংল্যান্ডে পড়াশুনা করেন। তিনি ছেলেবেলা থেকেই বিভিন্ন ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস ও সঙ্গীত রচনা করেন। শান্তিনিকেতনে তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। সাহিত্য জগতে তাঁর অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাকে ১৯১৫ সালে নাইট উপাধি দেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া নাইট উপাধি প্রত্যাখ্যান করেন। দেশের মানুষের প্রতি কবির অগাধ ভালোবাসা ছিল, তেমনি দেশের প্রতিও ছিল তাঁর অকৃত্রিম প্রেম ও শ্রদ্ধা। তাই তো কবির লেখায় সমাজ, শিক্ষা ও কুসংস্কারের কথা যেমন রয়েছে তেমনি দেশবাসীকে এক হওয়ার কথা বলেছেন তাঁর বিভিন্ন রচনার মধ্য দিয়ে।

PDF URL: View Article in PDF